একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে
এক রাতে ব্রিগুদার জুডিথ ডারহাম অদ্ভুত এক স্বপ্ন দেখে। প্রথম প্রথম কেউ পাত্তা দেয়নি। স্বপ্ন তো অনেকেই দেখে, অত পাত্তা দেয়ার কী আছে! কিন্তু ব্রিগুদার সবাই ঐ একই স্বপ্ন দেখা শুরু করলে সবার টনক নড়ে। তারপর এক ভয়াল রাতে ব্রিগুদা গ্রামটি তছনছ হয়ে যায়। পড়ে থাকে স্রেফ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন কিছু দেহ। গ্রামের একমাত্র গির্জায় কে জানি এক জোড়া চোখের ছবি এঁকে রেখেছে। নিচে লেখা--পীংক্রী রীট্রিক্রা ক্রেয়ীৎ স্পাক্রা লিক্রিৎ...মফস্বলের বস্তিতে গা ঢাকা দেয়া লেখক মোহাম্মদ আসগর আলী চায়ের দোকানে অদ্ভুত এক গল্প শোনেন। সেই গল্পের সুলুক-সন্ধানে মোটর-পার্টস দোকানি সাচ্চুকে নিয়ে পরাবাস্তব এক অভিযানে নেমে পড়েন তিনি। তার অভিযাত্রায় আরো সঙ্গি হন ইউনিভার্সিটি’র লেকচারার রেহমান সিদ্দিক ও তার রগচটা বোন ফারহানা। তারা কী পারবে অদ্ভুত এ গল্পের সফল যবনিকা টানতে? পরাবাস্তবতা কী বাস্তবে এসে মিশবে? নাকি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে সব? এ কাহিনী জনপ্রিয় লেখক মোহাম্মদ আসগর আলীর, এ কাহিনী বনশ্রী’র মক্ষীরাণী অ্যালিসের, এ কাহিনী সাইবেরিয়ার ললনা নাতাশা’র, এ কাহিনী খোঁড়া ক্রিমিনোলজিস্ট রেহমান সিদ্দিকের--সর্বোপরি এ কাহিনী ত্রীতের! ত্রীৎ! যারা ছিল, যারা আছে, যারা থাকবে..

একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে Details

Titleএকজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে
Author
LanguageBengali
ReleaseFeb 1st, 2018
Publisherবাতিঘর প্রকাশনী
Rating
GenreThriller, Horror, Novels

একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে Review

  • Wasee
    January 1, 1970
    লাভকরযাফটিয়ান হরর ঘরানায় নিঃসনদেহে বাংলাদেশের পরথম কাজ :)পরথমে বড় গলপ হিসেবে লেখা হলেও, পরবরতীতে উপনযাসিকায় রূপ দেয়া হয়। লেখক এবং আমি (এবং আমাদের আরো কয়েকজন বনধু) এইচ পি লাভকরযাফটের পরথম সারির ভকত হওয়ায়, শুরু থেকেই বেশ উততেজিত ছিলাম সবাই। তারই ফলশরুতিতে পাণডুলিপি শেষ হওয়ার পর, যথেষট আগরহ সহকারে বইটা পড়ে ফেলেছিলাম আমরা। তাও পরায় চার মাস আগের কথা! (তেল মেরে নেয়া না, লেখক তার বনধুদেরকে নিজেই পড়তে দিয়েছিলেন :P)অনেকগুলো কারণে বইটা ভালো লেগেছিল। এর পেছনে দকষ লেখনভঙগি, নিরীকষাধরমী কাজসহ আরও কিছু বযাপার লাভক্র্যাফটিয়ান হরর ঘরানায় নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের প্রথম কাজ :)প্রথমে বড় গল্প হিসেবে লেখা হলেও, পরবর্তীতে উপন্যাসিকায় রূপ দেয়া হয়। লেখক এবং আমি (এবং আমাদের আরো কয়েকজন বন্ধু) এইচ পি লাভক্র্যাফটের প্রথম সারির ভক্ত হওয়ায়, শুরু থেকেই বেশ উত্তেজিত ছিলাম সবাই। তারই ফলশ্রুতিতে পাণ্ডুলিপি শেষ হওয়ার পর, যথেষ্ট আগ্রহ সহকারে বইটা পড়ে ফেলেছিলাম আমরা। তাও প্রায় চার মাস আগের কথা! (তেল মেরে নেয়া না, লেখক তার বন্ধুদেরকে নিজেই পড়তে দিয়েছিলেন :P)অনেকগুলো কারণে বইটা ভালো লেগেছিল। এর পেছনে দক্ষ লেখনভঙ্গি, নিরীক্ষাধর্মী কাজসহ আরও কিছু ব্যাপার আছে। পরিচিত এবং বন্ধুশ্রেণির লেখকদের মাঝে নিজেদের পাণ্ডুলিপি বিষয়ক আলোচনা অথবা প্রকাশের আগেই একজন আরেকজনের লেখা পড়ে ফেলাটা, নতুন কিছু নয়। বইয়ের ঘোষণা আসার অপেক্ষায় ছিলাম, গুডরিডসে সংযুক্ত হওয়া মাত্র প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য হাত নিশপিশ করছিল। আর তাই দেরি না করে...অপ্রাসঙ্গিক অথবা প্রাসঙ্গিক-যেদিক থেকেই বলিঃ সমাজে একদল মানুষ আছে, যারা অন্যের কর্মকান্ডের মাঝে নিজের ছায়া দেখতে পায়। রাস্তায় যখন কেউ অন্য কারও পেছন পেছন হেঁটে যায়, সেই দৃশ্যটা পকেটমারের চোখে পড়লে সে ভাবে - আরে, পেছনের ব্যাটা বুঝি আমার মতই পকেট্মার। ভদ্র ভাষায় বললাম, অসংখ্য উদাহরণ চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে :)তাই "তৈলশিল্পিরা" যে সাধারণ ব্যাপারকেও নিজের কাতারে ফেলে বিচার বিশ্লেষণে যাবে, সেটাই স্বাভাবিক! চৈনিক দার্শনিক সিওয়া ফিং রা'র একটি উক্তি উল্লেখ করতে হয় - "গুড়াকৃমির স্বভাব জেনে রেখো, মানব সন্তান। তারা মানুষের গুহ্যদ্বারে কিলবিল করে পুষ্টি আস্বাদন করে থাকে। ডিম থেকে জন্ম নেয়ার পর, তাদের পরিচিত পরিবেশ অথবা বাসস্থান বলতে শুধু সেই দুর্গন্ধময় নোংরা বিষ্ঠা সম্বলিত ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, মলাশয়।অত:পর, সুশোভন অথবা সুন্দর কোন কিছুকে এই গুড়াকৃমি সম্প্রদায় সহ্য করতে পারে না। তাদের চোখে-মুখে-মনে লেগে থাকা "বিষ্ঠা" কে চারপাশে ছড়িয়ে, কিলবিল করে এগিয়ে চলার প্রবণতাও তাই সৃষ্টির আদিকাল থেকে প্রবাহমান।তবে মনোরম স্থানে বিরাজ করার সুপ্ত বাসনাও সংগোপনে তাদের মনের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। পথ খুঁজে না পাওয়ায় একসময় তারা নিম্মোল্লিখিত শ্লোগানে বিশ্বাসী হয়ে ওঠে-"বিষ্ঠা খাব, বিষ্ঠা ছোঁব, করিব কিলবিল,সুপ্ত আশা লুপ্ত হলে মৌচাকেতে ঢিল!চুলকে চুষে সামনে এগোই, বেশ তো কাটে দিন-গুহ্যদ্বারেই মৃত্যু হবে, রইবে না আর ঋণ।"- সিওয়া ফিং রা ; চৈনিক দার্শনিক (খ্রিস্টপূর্ব ৬৮৩-৫৪০ অব্দ)
    more
  • সালমান হক
    January 1, 1970
    তরীৎ, তরীৎ, তরীৎ.....বাংলাদেশি সাহিতযে লাভকরযাফটিয়ান হররের পরথম নিদরশন(হয়তো)। এবং পরথমেই বাজিমাৎ। গৎবাঁধা হররের বাইরের দুনিয়া থেকে ঘুরে আসতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন 'তাদের' জগত থেকে, যেখানে একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে। :) ত্রীৎ, ত্রীৎ, ত্রীৎ.....বাংলাদেশি সাহিত্যে লাভক্র‍্যাফটিয়ান হররের প্রথম নিদর্শন(হয়তো)। এবং প্রথমেই বাজিমাৎ। গৎবাঁধা হররের বাইরের দুনিয়া থেকে ঘুরে আসতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন 'তাদের' জগত থেকে, যেখানে একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে। :)
    more
  • মাহাতাব রশীদ
    January 1, 1970
    তরীৎ.. যারা ছিলো.. যারা আছে.. যারা থাকবে.. একবসায় টানা শেষ করে ফেলার মতো বই। গতানুগতিক হরর না, কিংবদনতী লেখক এইচ পি লাভকরযাফটের সৃষট কসমিক হরর/ লাভকরযাফটিয়ান হররের পরতি টরিবিউট করে লেখা নভেলা। লাভকরাফট জনরার মতোই ডিসটারবিং, উদভট আর বযাখযাতিত। ভিননসবাদের ঝরঝরে লেখা, গলপের গাঁথুনিও ভালো। সবমিলিয়ে ৫ এ ৩.৮। পুনশচ- এটা পড়ে লাভকরযাফটের পরতি আবার আগরহ জনমালো। দুই একটা গলপ ছাড়া তেমন কিছু পড়া হয়নাই, এইবেলা দেরী না করে একটানা পড়ে ফেলা লাগবে। ত্রীৎ.. যারা ছিলো.. যারা আছে.. যারা থাকবে.. একবসায় টানা শেষ করে ফেলার মতো বই। গতানুগতিক হরর না, কিংবদন্তী লেখক এইচ পি লাভক্র্যাফটের সৃষ্ট কসমিক হরর/ লাভক্র্যাফটিয়ান হররের প্রতি ট্রিবিউট করে লেখা নভেলা। লাভক্রাফট জনরার মতোই ডিসটার্বিং, উদ্ভট আর ব্যাখ্যাতিত। ভিন্নস্বাদের ঝরঝরে লেখা, গল্পের গাঁথুনিও ভালো। সবমিলিয়ে ৫ এ ৩.৮। পুনশ্চ- এটা পড়ে লাভক্র্যাফটের প্রতি আবার আগ্রহ জন্মালো। দুই একটা গল্প ছাড়া তেমন কিছু পড়া হয়নাই, এইবেলা দেরী না করে একটানা পড়ে ফেলা লাগবে।
    more
  • Ponchom Nosib
    January 1, 1970
    একজন লেখকের একটা নিরদিষট লেখার পযাটারন থাকে। কোন লেখকই এই পযাটারনের উরধবে নয়। তবে মাঝে মাঝে অনেকে সেই পযাটারনের বাইরে গিয়ে হালকা একসপেরিমেনট করে থাকেন। আমার মতে জাহিদ হোসেন এই বইয়ে তা-ই করেছেন। এক কথায় বলতে গেলে তিনি পুরোপুরি সফল। বাংলাদেশে এর আগে লাভকরযাফটিয়ান হরর নিয়ে এতো চমৎকার কোন কাজ হয়েছে নাকি আমার জানা নেই। দীরঘদিন পর একটানে এই নভেলা শেষ করেছি আমি।আমার মতে ফিনিকসের পর এইটাই জাহিদ হোসেনের শরেষঠ বই। শুভকামনা থাকলো।বিঃ দরঃ এই রিভিউ দেখে অনেক "সাহিতযবোদধা" তথা "শাখামৃগ"দের চুলকানি উঠতে পারে। একজন লেখকের একটা নির্দিষ্ট লেখার প্যাটার্ন থাকে। কোন লেখকই এই প্যাটার্নের উর্ধ্বে নয়। তবে মাঝে মাঝে অনেকে সেই প্যাটার্নের বাইরে গিয়ে হালকা এক্সপেরিমেন্ট করে থাকেন। আমার মতে জাহিদ হোসেন এই বইয়ে তা-ই করেছেন। এক কথায় বলতে গেলে তিনি পুরোপুরি সফল। বাংলাদেশে এর আগে লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর নিয়ে এতো চমৎকার কোন কাজ হয়েছে নাকি আমার জানা নেই। দীর্ঘদিন পর একটানে এই নভেলা শেষ করেছি আমি।আমার মতে ফিনিক্সের পর এইটাই জাহিদ হোসেনের শ্রেষ্ঠ বই। শুভকামনা থাকলো।বিঃ দ্রঃ এই রিভিউ দেখে অনেক ‍‍"সাহিত্যবোদ্ধা" তথা "শাখামৃগ"দের চুলকানি উঠতে পারে। তারা বলবেন বই প্রকাশের আগেই কেন এই "তৈল মর্দণকারী" রিভিউ? তাদের জ্ঞাতার্থে বলতে চাই মানসিক ভাবে "অস্ট্রেলিয়ান গরুর ঘিলু" ধারণ না করে না করে দয়া করে চোখ কান খোলা রাখুন, কারণ লেখক তার পান্ডুলিপি বন্ধু-বান্ধদের পড়তে দেয়। এ নিয়ে রাজনীতি করার কিছু নেই।
    more
  • Shifat Mohiuddin
    January 1, 1970
    সদয বইমেলা থেকে কিনে নিয়ে আসলাম। লেখক বইয়ের ফলযাপে নিজেই পরশন করেছেন নভেলাটি আদৌ হরর হয়েছে কিনা। হরর হয়েছে কিনা তা বলতে পারবো না, তবে লাভকরযাফটায়িন হরর যে হয়েছে তা নিশচিনতে বলতে পারি। লেখক দেশীয় পরেকষাপটে উদভট ঘটনাবলীকে সুনদরভাবে সাজিয়েছেন। বিদেশে ঘটা অদভুত ঘটনাগুলো শকতিশালী সমরথন দিয়েছে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনাগুলোর উদভটতা বাড়াতে। অপারথিব 'তরীৎ' ভাষার পুনঃপুন বযবহার গায়ের রোম খাঁড়া করে দিয়েছে। ঘটনার বযাখযা ভালমত খুঁজে না পাওয়াই লাভকরযাফটায়িন হররের বড় শরত আর সেই শরত লেখক পুরোপুরি পালন করেছেন। বইয়ের শে সদ্য বইমেলা থেকে কিনে নিয়ে আসলাম। লেখক বইয়ের ফ্ল্যাপে নিজেই প্রশ্ন করেছেন নভেলাটি আদৌ হরর হয়েছে কিনা। হরর হয়েছে কিনা তা বলতে পারবো না, তবে লাভক্র‍্যাফটায়িন হরর যে হয়েছে তা নিশ্চিন্তে বলতে পারি। লেখক দেশীয় প্রেক্ষাপটে উদ্ভট ঘটনাবলীকে সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন। বিদেশে ঘটা অদ্ভুত ঘটনাগুলো শক্তিশালী সমর্থন দিয়েছে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনাগুলোর উদ্ভটতা বাড়াতে। অপার্থিব 'ত্রীৎ' ভাষার পুনঃপুন ব্যবহার গায়ের রোম খাঁড়া করে দিয়েছে। ঘটনার ব্যাখ্যা ভালমত খুঁজে না পাওয়াই লাভক্র‍্যাফটায়িন হররের বড় শর্ত আর সেই শর্ত লেখক পুরোপুরি পালন করেছেন। বইয়ের শেষে আধো সম্ভাবনা আর আশু বিপদের আধো সংকেত দিয়ে টেনশন আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন লেখক। সব মিলিয়ে অত্যন্ত সুপাঠ্য আর ছমছমে একটা বই। এক ঘন্টায় শেষ করে অদ্ভুত একটা অনুভূতি হচ্ছে।
    more
  • Nazrul Islam
    January 1, 1970
    জোরে শোরে বই পড়া হয় না অনেকদিন ।মাঝে মাঝে ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে দুই একটা পড়া হয় । কিনতু রাতে বাসায় এসে এতই টায়ারড থাকি যে সেগুলো নিয়ে দুটি কথা বলার মত আর এনারজিও পাই না । কিনতু "একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে" বইটি আমাকে বাধয করেছে বইটি নিয়ে দুটি কথা লিখতে।দুপুরে হাতে পেলাম বই । অবশয হাতে পাওইয়ার আগেই বইটা নিয়ে বেশ আগরহ ছিল । এর কারণ অবশয গুডরিডসের রিভিউ এবং বেশ কয়েকজনের মুখে মুহমুহ পরশংসা। কিনতু অফিসে বসে তো পড়া যায় না । তাই সারাদিন লোলুপ দৃষটিতে তাকিয়েই সারা । অফিস ছুটি হতেই সবার আগে বের হয়ে বাসে চড় জোরে শোরে বই পড়া হয় না অনেকদিন ।মাঝে মাঝে ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে দুই একটা পড়া হয় । কিন্তু রাতে বাসায় এসে এতই টায়ার্ড থাকি যে সেগুলো নিয়ে দুটি কথা বলার মত আর এনার্জিও পাই না । কিন্তু "একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে" বইটি আমাকে বাধ্য করেছে বইটি নিয়ে দুটি কথা লিখতে।দুপুরে হাতে পেলাম বই । অবশ্য হাতে পাওইয়ার আগেই বইটা নিয়ে বেশ আগ্রহ ছিল । এর কারণ অবশ্য গুডরিডসের রিভিউ এবং বেশ কয়েকজনের মুখে মুহমুহ প্রশংসা। কিন্তু অফিসে বসে তো পড়া যায় না । তাই সারাদিন লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়েই সারা । অফিস ছুটি হতেই সবার আগে বের হয়ে বাসে চড়লাম। উদ্দেশ্য বাসে বসেই খেল খতম করে দেওয়ার । প্রতিদিনকার মত জ্যাম থাকলে অবশ্য জ্যামেই শেষ করে দিতাম । তবে শেষ না করতে পারলেও এগিয়ে রেখেছিলাম । আর এখন বাসায় এসে আয়েশ করে কফি খেতে খেতে শেষ করলাম ।এটা যে লাভক্রাফটিয়ান হরর জনরার বই লেখক আগেই তা বলে নিয়েছেন। বাংলায় এই জনরার বই আগে লিখা হয়েছে বলে মনে হয় না। ।মাত্র ৯৫ পেইজের বই । অথচ সারা দুনিয়া ঘুরিয়ে আনলো এরমধ্যেই । দারুণ লাগলো । তাথাকথিত হরর থেকে ভিন্ন স্বাদের বই।কাহিনী শুরু হয় মহাভারতের এক গুরুতবপূর্ণ চরিত্র দ্রোণের মাধ্যমে। দ্রোণের সাথে এই বইয়ের কি সম্পর্ক সেটা আপনি জানিবেন শেষ পাতায় । আপাতত এগিয়ে যেতে থাকেন। পরক্ষনেই দৃশ্য পরবর্তন।এ পর্যায়ে আমরা দেখা পাই বিখ্যাত লেখক আসগর সাহেবের । যিনি কিনা মারাত্নক প্যাচে পড়ে নিতান্তই বাধ্য হয়ে এক অজপাড়াগায়ের বস্তিতে উঠেন। এখানেই তিনি দেখা পান ল্যাংড়া সাচ্চুর। আজব এক কাহিনী শুনায় তাকে সাচ্চু । যেই কাহিনীর সাথে মিল পাওয়া যাচ্ছে সারা পৃথিবী জুড়ে চলা অসংখ্য কাহিনীর। যার রহস্য আজ পর্যন্ত কেউ ভেদ করতে পারেনি ।সব কাহিনীর সাথেই একটা মিল পাওয়া যায় । যা হল "ত্রীৎ"কে এই ত্রীৎ । কি চায় "তেনারা" । যারা আছে,ছিল,থাকবে...........................অন্য রকম হররে আপনাকে স্বাগতম । কারণ আপনার সঙ্গী "তেনারা"
    more
  • সাদমান হুসাইন
    January 1, 1970
    দযাট মোমেনট যখন রিডিং এ এড করে পড়তে বসার ৩০-৪০ মিনিটের মাথায় বইই শেষ হয়ে যায়!বাংলায় এই জনরার বই আগে কখনো পড়া হয়নি। বেশ ইউনিক। আর ছোটগলপের মত সাইজ হওয়ায় কাহিনীর আরো কিছুদূর না যাওয়ার আকষেপটা থেকেই গেলো। আশা করবো লেখক যাতে এটা কনটিনিউ করেন, সামনে এই সটোরিলাইনে আরেকটা বইয়ের দেখা পেলে মনদ হবে না বযাপারটা। দ্যাট মোমেন্ট যখন রিডিং এ এড করে পড়তে বসার ৩০-৪০ মিনিটের মাথায় বইই শেষ হয়ে যায়!বাংলায় এই জনরার বই আগে কখনো পড়া হয়নি। বেশ ইউনিক। আর ছোটগল্পের মত সাইজ হওয়ায় কাহিনীর আরো কিছুদূর না যাওয়ার আক্ষেপটা থেকেই গেলো। আশা করবো লেখক যাতে এটা কন্টিনিউ করেন, সামনে এই স্টোরিলাইনে আরেকটা বইয়ের দেখা পেলে মন্দ হবে না ব্যাপারটা।
    more
  • Zahidul
    January 1, 1970
    “The oldest and strongest emotion of mankind is fear, and the oldest and strongest kind of fear is fear of the unknown” - H.P. Lovecraft-বাংলা ভাষায় হরর টাইপের গলপ উপনযাস বেশ আগে থেকেই চলে আসছে।তবে বরতমানের বেশিরভাগ হরর উপনযাসই এক ধরনের নিরদিষট ছকে বাধা থাকে।আর সেই গতানুগতিক ছক থেকে একদম অনয ধরনের এক নভেলা লেখক জাহিদ হোসেনের "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " .-" এক চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " গলপের মূল কাহিনী এক মফসবলের বসতিতে গা ঢাকা দিয়ে থাকা লেখক আসগর আলীকে ঘিরে। ঘটনাকরমে বসতির পাশের চায়ের “The oldest and strongest emotion of mankind is fear, and the oldest and strongest kind of fear is fear of the unknown” - H.P. Lovecraft-বাংলা ভাষায় হরর টাইপের গল্প উপন্যাস বেশ আগে থেকেই চলে আসছে।তবে বর্তমানের বেশিরভাগ হরর উপন্যাসই এক ধরনের নির্দিষ্ট ছকে বাধা থাকে।আর সেই গতানুগতিক ছক থেকে একদম অন্য ধরনের এক নভেলা লেখক জাহিদ হোসেনের "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " .-" এক চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " গল্পের মূল কাহিনী এক মফস্বলের বস্তিতে গা ঢাকা দিয়ে থাকা লেখক আসগর আলীকে ঘিরে। ঘটনাক্রমে বস্তির পাশের চায়ের দোকানে সাচ্চু নামের এক লোকের কাছে তিনি শোনেন অদ্ভুত এক গল্প। তারপর সেই গল্পের সত্যতা জানতে সাচ্চুকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি।-তার সেই অভিযানে যোগ হন রেহমান সিদ্দিক ও তার বোন ফারহানা। আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসতে থাকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের নানা পরাবাস্তব ঘটনা যার প্রতিটার সাথে সংযোগ রয়েছে ত্রীৎ নামক এক প্রাণী। এখন এই পরাবাস্তব ঘটনাগুলোর কারণ কি ? সত্যিই কি এসব ঘটনার সাথে কোন প্রাণীর সম্পর্ক আছে আর তারা কি পারবে এ সকল ঘটনা বন্ধ করতে ? এ সব কিছু জানতে হলে পড়তে হবে "এক চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " .-বাংলাদেশে নানা ধরণের হরর নিয়ে লেখা হলেও লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর নিয়ে এতো দারুন লেখা খুব একটা চোখে পড়েনি। সেদিক থেকে বলতে গেলে লেখক দারুন সফল হয়েছেন সেই ধরনের এক environment create করতে। গল্পের মূল থিমে misanthropy এর ভাব দারুণভাবে বোঝা গেছে যা লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর এর অন্যতম প্রধান উপাদান।-গল্প প্রথম থেকেই খুব ফাস্ট পেসড এবং এক বসায় শেষ করে দেয়ার মতো। চরিত্রগুলোও ঠিক ঠাক (প্রধান চরিত্র গুলো বলা চলে প্রত্যেকেই socially isolated অবস্থায় ছিল যেটাও এ ধরনের সাব - জনরায় অনেক পাওয়া যায় ) গল্পের নেরেটিং স্টাইল The Shadow over Innsmouth বা The Call of Cthulhu এর কথা মনে করিয়ে দেয়।-অযথা কাহিনী না বাড়িয়ে মাত্র ৯৬ পৃষ্ঠায় এদেশের প্রেক্ষাপটে লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর টাইপের এই দারুন লেখার জন্য লেখক বাহবা পেতেই পারেন। ব্যক্তিগতভাবে H.P. Lovecraft খুব পছন্দের লেখক হওয়ায় তার লেখার কিছু সিগনেচার এলিমেন্ট দেখতে পায়ে আরো ভালো লেগেছে।-এক কথায় , এদেশের গতানুগতিক হরর বইগুলোর চেয়ে একদম আলাদা ধরণের এক নভেলা "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " যাদের একটু অন্য ধরনের রহস্য/হরর বই পড়তে ভালো লাগে তাদের জন্য পারফেক্ট বই "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে "।
    more
  • Hosneara Ami
    January 1, 1970
    লাভকরযাফটিয়ান হরর এই শবদটার সাথেই পরিচিত ছিলাম না। কিছুদিন আগে মনে হয় এই জনরার একটা গলপসমগর বের হয়েছিল। তখন নামটা পরথম শুনি। যাই হোক জাহিদ ভাইয়ের বই দেখে সংগরহ করেছিলাম। ভেতরে কি আছে কিছুই জানতাম না। তাই মোটামুটি অনধকারে থেকেই শুরু করেছিলাম। তবে হতাশ হইনি বলা যায়।পরথম থেকেই গলপটা একটু একটু করে এগুচছিল। সাথে আমিও। তরিৎ ভাষার উদভট শবদগুলো উচচারণ করতে গিয়ে দাঁত ভাঙগার দশা পরায়। থাক ওগুলো তরিতেরাই বলুক, ওগুলো আমার জনয না। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে বইটার নামটা- "একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে"। কি দা লাভক্র্যাফটিয়ান হরর এই শব্দটার সাথেই পরিচিত ছিলাম না। কিছুদিন আগে মনে হয় এই জনরার একটা গল্পসমগ্র বের হয়েছিল। তখন নামটা প্রথম শুনি। যাই হোক জাহিদ ভাইয়ের বই দেখে সংগ্রহ করেছিলাম। ভেতরে কি আছে কিছুই জানতাম না। তাই মোটামুটি অন্ধকারে থেকেই শুরু করেছিলাম। তবে হতাশ হইনি বলা যায়।প্রথম থেকেই গল্পটা একটু একটু করে এগুচ্ছিল। সাথে আমিও। ত্রিৎ ভাষার উদ্ভট শব্দগুলো উচ্চারণ করতে গিয়ে দাঁত ভাঙ্গার দশা প্রায়। থাক ওগুলো ত্রিতেরাই বলুক, ওগুলো আমার জন্য না। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে বইটার নামটা- "একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে"। কি দারুন আবেগময় একটা লাইন, ঠিক ততটাই ভয়ংকর যদি অন্তর্বর্তী অর্থ খুঁজতে চাই তবে। সবশেষে হরর আমার একদমই পছন্দের জনরা না। এমনকি মজা করা জন্যও না। তবুও এই নভেলাটা পড়তে ভালো লেগেছে। সম্ভবত সুন্দর সাবলিল ভাষা (গালাগালি বা স্ল্যাং যা ছিল তা আসলে বস্তির আর তথাকথিত ইয়াং জেনারেশনের চরিত্রের প্রয়োজনে এসেছে বলে আমার মনে হয়েছে।), কাহিনীর পরিপূর্নতা আর বিভিন্ন মিথ আর ঘটনাবলীর সামঞ্জস্যের জন্য হয়েছে। আশা করি ভালো লাগবে সবার যেমন আমার লেগেছে।হ্যাপি রিডিং।।।
    more
  • শুভঙ্কর শুভ
    January 1, 1970
    এক রাতে বরিগুদার জুডিথ ডারহাম অদভুত এক সবপন দেখে। পরথম পরথম কেউ পাততা দেয়নি। সবপন তো অনেকেই দেখে, অত পাততা দেয়ার কি আছে! কিনতু বরিগুদার সবাই ঐ একই সবপন দেখা শুরু করলে সবার টনক নড়ে। তারপর এক ভয়াল রাতে বরিগুদা গরামটি তছনছ হয়ে যায়। পড়ে থাকে সরেফ ছিনন-বিচছিনন কিছু দেহ। গরামের একমাতর গিরজায় কে জানি এক জোড়া চোখের ছবি এঁকে রেখেছে। নিচে লেখা--পীংকরী রীটরিকরা করেয়ীৎ সপাকরা লিকরিৎ...তেতাললিশ বয়েসের আসগর আলী একজন পলে বয়! সে সুবাদেই গা ঢাকা দিতে হয় বসতিতে। বাড়তি লাভ হিসেবে একটা গলপ, হর গলপ লিখার কথা ভাবে উন এক রাতে ব্রিগুদার জুডিথ ডারহাম অদ্ভুত এক স্বপ্ন দেখে। প্রথম প্রথম কেউ পাত্তা দেয়নি। স্বপ্ন তো অনেকেই দেখে, অত পাত্তা দেয়ার কি আছে! কিন্তু ব্রিগুদার সবাই ঐ একই স্বপ্ন দেখা শুরু করলে সবার টনক নড়ে। তারপর এক ভয়াল রাতে ব্রিগুদা গ্রামটি তছনছ হয়ে যায়। পড়ে থাকে স্রেফ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন কিছু দেহ। গ্রামের একমাত্র গির্জায় কে জানি এক জোড়া চোখের ছবি এঁকে রেখেছে। নিচে লেখা--পীংক্রী রীট্রিক্রা ক্রেয়ীৎ স্পাক্রা লিক্রিৎ...তেতাল্লিশ বয়েসের আসগর আলী একজন প্লে বয়! সে সুবাদেই গা ঢাকা দিতে হয় বস্তিতে। বাড়তি লাভ হিসেবে একটা গল্প, হর গল্প লিখার কথা ভাবে উনি। আসলে আগের কথা গুলো তো এমনিই বলা। আসগর সাহেবের নিয়তি আগেই ঠিক করে রেখে ছিল ত্রীৎরা- আক্টোপাস টাইপের কিছু প্রাণী। কে এই প্রাণী গুলো? কীইবা তাদের ইতিহাস? এই সব প্রশ্ন নিয়ে আসগর সাহেবের ছিলো না কোনও মাথা ব্যথা। ছিল রেহমান সাহেবের আর তাঁর বন্ধু ও প্রফেসরের। কিন্তু কপাল এমন একটা জিনিস, যার কোনও লজিকাল ব্যাখ্যা নেই। চায়ের দোকানে গিয়েই আসগর সাহেবের কপাল বদলে যায়। সাচ্চু ল্যাংড়ার মুখে আষাঢ়ের গল্প শুনে এর সূত্র খুঁজতে জায়গা মতো চলে যায়। আর দেখা মিলে রেহমান সাহেব আর তাঁর বোনের সাথে। সেদিন প্রাণে বেঁচে গেলেও, আসগর সাহেবের কপালের লেখন বদলায় না।রাহেলা, কালা মানিকের বউ। রোজ পশ্চিমের বর্ডারে দাঙ্গা হয় এই দুই পক্ষের। তাতে আসগর সাহেবের আর হরর গল্প লিখে উঠে সম্ভব হয় না। খাবার খেয়ে বেহুঁশের মতো ঘুমায় সে। আর এই ঘুমই হয় কিনা কাল।ত্রীৎ... শুঁড়ধারী একধরণে প্রাণী। সারা গায়ে আঠালো পদার্থ দিয়ে ভরা। তাদের ভাষ্যমতে, সৃষ্টির শুরুতে তেনারাই ছিল, তেনারাই আছে, তেনারাই থাকবেন।ছোট্ট একটা মিথ, যার ভিত্তি অনেক দূর অবধি নিয়ে ঠেকিয়েছে লেখক। লেখনী ভালো ছিল। হরর পরিবেশও সুন্দর ভাবে সৃষ্টি হয়েছে। পাঞ্চ লাইনগুলাও ফাইন ছিল। সর্বোপরি বইটা ভালো লেগেছে।
    more
  • Misba Misba
    January 1, 1970
    শুরুতেই কিছু এলারট দিয়ে রাখি এই বইয়ের ভাবী-পাঠকদের – ১। বইয়ের পরথম ৩০ পৃষঠা পরযনত যে সমসতই তুচছ ঘটনা/ বরননা/ দৃশয/ সেকসুয়াল দৃশয যাইই এসেছে পরথমে সেসব যদি মনে হয় “১০০ পৃষঠার বইতে এতো অপরয়োজনীয় দৃশয কেন?” তাহলে বলবো চিনতা করবেন না। পরতিটি ছোট খাটো ইসযুই পলটের জনয গুরুতবপূরণ।২। পরথমে বরননা পড়ে যদি মনে হয় লেখক এটেনশন সিকিং এর জনয অশলীল কথা/ শবদ/ অশলীল পরি-দৃশয বযবহার করেছেন – তাহলে আবার বলবো, সটোরি পুরোটা পড়লে বোঝা যাবে পলটের কাজেই এসেছে।৩। এলিসের গলপে পরথম দু/তিন পেইজ পড়ে যদি মনে হয় – লেখক কি ছযাঁ শুরুতেই কিছু এলার্ট দিয়ে রাখি এই বইয়ের ভাবী-পাঠকদের – ১। বইয়ের প্রথম ৩০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত যে সমস্তই তুচ্ছ ঘটনা/ বর্ননা/ দৃশ্য/ সেক্সুয়াল দৃশ্য যাইই এসেছে প্রথমে সেসব যদি মনে হয় “১০০ পৃষ্ঠার বইতে এতো অপ্রয়োজনীয় দৃশ্য কেন?” তাহলে বলবো চিন্তা করবেন না। প্রতিটি ছোট খাটো ইস্যুই প্লটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।২। প্রথমে বর্ননা পড়ে যদি মনে হয় লেখক এটেনশন সিকিং এর জন্য অশ্লীল কথা/ শব্দ/ অশ্লীল প্রি-দৃশ্য ব্যবহার করেছেন – তাহলে আবার বলবো, স্টোরি পুরোটা পড়লে বোঝা যাবে প্লটের কাজেই এসেছে।৩। এলিসের গল্পে প্রথম দু/তিন পেইজ পড়ে যদি মনে হয় – লেখক কি ছ্যাঁকা খেয়েছে, এই কাহিনীর কি দরকার ছিলো মাঝখানে (আমার মনে হয়েছিলো) কিন্তু সে চ্যাপ্টার পুরোটা পড়ার পর আবারো বুঝলাম এটাও প্লটের দরকারে এসেছে।৪। একই কথা ঐ দ্বীপের কাহিনীর ক্ষেত্রেও বলা যায়।এবার আমার পাঠ প্রতিক্রিয়া + রিভিউতে আসি – ১। নভেলাটি শুধু হরর না। বইয়ের ভূমিকায় অবশ্য লাভক্রাফটিয়ান হরর বলা আছে। যেটার এলিয়েন-হররই বোঝায়। ২। এই প্রথম বর্ননা নির্ভর থ্রিলার-হরর পড়লাম অথচ ঘুম চলে আসলো না; শুরুর দিকের পরিবেশের বর্ননা একদম ক্লাসিক যুগের দক্ষ সমকালীন লেখকদের মতো। অলস পরিস্থিতি আর বস্তির বর্ননা আমার চোখে ভেসেছে বলা উচিৎ। ইদানিংকার পড়া বইগুলো ফাস্ট-রিড করা হচ্ছিলো। বিশেষ করে প্রথম দিকের পৃষ্ঠাগুলো ফাস্ট রিড করতে বাধ্য হতাম। কিন্তু এটার ক্ষেত্রে উলটো ঘটেছে। সমকালীন উপন্যাসের মতো বর্ননা বস্তি আর প্রধান একটি চরিত্রের – যেটা শুরুতে কিছুতেই মাথায় আসে না একটা হরর স্টোরিতে এসবের কি দরকার; অথচ এই গভীর রাতের দু’তিন ঘন্টায় আমার ফাস্ট রিড করা লাগলো না, ঘুম চলে আসলো না – তাতেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ রাতেই রিভিউ লিখবো, অনুভূতি থাকতে থাকতে। পরিবেশ বর্ননাকে জীবন্ত করে তুলতে বাস্তব জগতকে প্রগাঢ় পর্যবেক্ষণ নিয়ে দেখতে জানতে হয়; যার ছাপ খুব কম লেখকের মাঝেই দেখেছি। ৩। এলার্ট প্যারার দুই নাম্বার পয়েন্ট নিয়ে আমার ১০% দ্বিধা আছে। ৪। এলিস আর ঐ দ্বীপের কাহিনীটা হুট করে এসে আবার হুট করে শেষ – তাই ছন্দে একটু বাধা পেলাম মনে হলো। কয়েকটা চ্যপ্টার পরপর কাহিনীগুলো আসলে ভালো হতো কিনা মনে হয়েছিলো; পরে ভাবনা নাকচ করে দিলাম। কারণ কয়েকটা ভাগে ওদের কাহিনীগুলো বললে, অর্থাৎ মাঝেপথে থামালে আসলেই পাঠকের কাছে “ইউজলেস” টপিক ভেবে বিরক্ত লাগতে পারত। পুরো গল্প বলাটা একটু অন্যরকম ছিলো। আমার মনে হয় এটা লেখকের নিজস্ব এক্সপেরিমেন্ট। যেটা খারাপ হয়নি। তবে এটা ঠিক শেষার্ধে ডায়ালগের অভাব অনুভূত হয়েছে। বর্ননামূলক ব্যাপারটা প্রকট হয়ে গিয়েছে। যদিও সাপেন্স এবং শেষ করার ইচ্ছেটা কমেনি মোটেও।৫। বই আমার পছন্দ হয়েছে। কভারও। আজকালকার বইতে শুধু হিজিবিজি ফোটোশপড, পঁচা ম্যাশআপের কভার থাকে, ভেতরের সাথে কোন মিলও থাকে না। কিন্তু এটার কভার ক্লিন, মিনিংফুল এবং ভেতরের সাথে শতভাগ মিল আছে। ৮০ পেইজ পড়ার পর লেখকের জন্মদিন চেক করতে (রাশি অনুমান করেছিলাম; ভুল হয়েছে :/ ) ফেবু খুঁজে দেখি লেখক আমার ফ্রেন্ড লিস্টেই আছেন! :O
    more
  • Shahjahan Shourov
    January 1, 1970
    ঋভযু করেছি এ বইটার কিনতু ভিডিও ঋভযু, নতুন করে আবার লিখতে ইচছা হচছেনা এখানে :(পছনদের বই, ভাললাগার বই এর কাতারে জায়গা করে নিয়েছে বইটা। তার যথাযথ কারণ বযাখযা করা আছে ইউটিউব ঋভযু তে। https://www.youtube.com/watch?v=JqEBj...পরচছদ টা দারুণ, কেন দারুণ বলছি তারও কারণ আছে। ঋভ্যু করেছি এ বইটার কিন্তু ভিডিও ঋভ্যু, নতুন করে আবার লিখতে ইচ্ছা হচ্ছেনা এখানে :(পছন্দের বই, ভাললাগার বই এর কাতারে জায়গা করে নিয়েছে বইটা। তার যথাযথ কারণ ব্যাখ্যা করা আছে ইউটিউব ঋভ্যু তে। https://www.youtube.com/watch?v=JqEBj...প্রচ্ছদ টা দারুণ, কেন দারুণ বলছি তারও কারণ আছে।
    more
  • Somoy
    January 1, 1970
    এক জোড়া চোখ খোজে আরেক জোড়া চোখ কে...লাভকরযাফটিয়ান হররের পরথম বাংলা নিদরশন। আমার মত আরো অনেককে নতুন এই জনরা এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার জনয ধনযবাদ।সতযি বলতে শখানেক পৃষঠার মাঝে এত চমৎকার গলপ আসা করিনি। এক জোড়া চোখ খোজে আরেক জোড়া চোখ কে...লাভক্র্যাফটিয়ান হররের প্রথম বাংলা নিদর্শন। আমার মত আরো অনেককে নতুন এই জনরা এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।সত্যি বলতে শখানেক পৃষ্ঠার মাঝে এত চমৎকার গল্প আসা করিনি।
    more
  • সান্তা রিকি
    January 1, 1970
    Actual rating...4.5. Creepy, weird as well as intense. :-)
  • মাসুম আদি
    January 1, 1970
    অসটরেলিয়ার এক গরামের এক জেলের বউ একটা অদভুত সবপন দেখলো। দেখলো রাতের বেলা লেক থেকে অদভুত এক রকম পরাণী উঠে আসে। তারপর সবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে দরজা নক করে বিচিতর ভাষায় একটা কথা বলে। ঘরিয়ালকর ব'ষি তরীৎ পরেকরী। ঘরিয়ালকর ব'ষি তরীৎ মরেঘুৎ। ঘরিয়ালকর ব'ষি তরীৎ ফরা। তরীৎ ফরা, তরীৎ ফরুয়েং তরীৎ ফরায়ীৎ..... অদভুত না ভাষাটা? সবপনে দেখা সেই পরাণীগুলো নিজেদের মধযে এই ভাষাতেই যোগাযোগ করে। দুই ফুট লমবা পরাণীগুলোর সারাগায়ে মাছের আঁশের মত আঁশ আর আঁশের ভাজে ভাজে চোখ। আর দলনেতার উচচতা চার ফুটের মত। তার অবশয এতগুলো চোখ নে অস্ট্রেলিয়ার এক গ্রামের এক জেলের বউ একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলো। দেখলো রাতের বেলা লেক থেকে অদ্ভুত এক রকম প্রাণী উঠে আসে। তারপর সবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে দরজা নক করে বিচিত্র ভাষায় একটা কথা বলে। ঘ্রিয়ালক্র ব'ষি ত্রীৎ প্রেক্রী। ঘ্রিয়ালক্র ব'ষি ত্রীৎ ম্রেঘুৎ। ঘ্রিয়ালক্র ব'ষি ত্রীৎ ফ্রা। ত্রীৎ ফ্রা, ত্রীৎ ফ্রুয়েং ত্রীৎ ফ্রায়ীৎ..... অদ্ভুত না ভাষাটা? স্বপ্নে দেখা সেই প্রাণীগুলো নিজেদের মধ্যে এই ভাষাতেই যোগাযোগ করে। দুই ফুট লম্বা প্রাণীগুলোর সারাগায়ে মাছের আঁশের মত আঁশ আর আঁশের ভাজে ভাজে চোখ। আর দলনেতার উচ্চতা চার ফুটের মত। তার অবশ্য এতগুলো চোখ নেই, তবে মাথার জায়গায় লম্বা একটা শুড় আর শুড়ের ডগায় একটাই চোখ। স্বপ্নের কথা জেলের বউ তার স্বামীকে বলে। স্বামী প্রথমে আমলে নেয়না। একদিন সেও দেখতে পায় একই স্বপ্ন। তারপর তাদের ছেলেমেয়েরাও। তারপর? তারপর পুরো গ্রামবাসী একসাথে দেখতে পায় সেই স্বপ্ন। তারপর একদিন নীরব হয়ে যায় সেই গ্রাম। সবাই অদ্ভুত উপায়ে মারা যায়। তাদের সারাগায়ে নীলচে আঘাতের দাগ, আর পুরো গ্রামজুড়ে এক ধরণের আঁশটে আঠালো পদার্থের ছড়াছড়ি। অশুভ কিছু কি? বইটার শুরু থেকেই ইন্টারেস্টিং ছিল খুব। শুরুটাই ত্রীৎ ভাষার একটা কবিতা দিয়ে। কালকে গ্রুপে পোস্ট করেছিলাম কবিতাটা, কেউই বুঝতে পারেনি। আজকে সেই কবিতার অনুবাদটাও পড়লাম, ভালো লেগেছে খুব। জাহিদ ভাইয়ের লেখার সাথে আগেই পরিচিত থাকলেও এই বইয়ে আলাদা জাহিদ ভাইকে খুঁজে পেলাম মনে হলো। হয়তোবা লাভাক্রফটিয়ান হররের জন্যই। এইচ পি লাভাক্রফট হরর জনরাকে আলাদা একটি রূপ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সেটাই আলাদা একটি জনরা হিসেবে সুনাম লাভ করে, যার নাম লাভক্রফটিয়ান হরর। প্রথম দিকে কিছু ভালগার গালাগালি থাকলেও কাহিনীর সাথে সেটা মানানসই মনে হয়েছে। তবে, গল্পটা আমার মনে অত দাগ কাটতে পারেনি। কিছুদিন আগে দেখা টার্কিশ মুভি ম্যাজাই এর থিমের সাথে খুব যেন বেশিই মিল পেলাম আমি। খারাপ লেগেছে সেটা বলবনা। তবে কিছু বই থাকেনা যেগুলো পড়ার পরেও অনেকদিন পর্যন্ত রেশ থেকে যায়? এই বইয়ে সেরকম কিছু পাইনি। সেটা পেয়েছিলাম কাদ্যুসেয়াসে। শেষ করব কবিতাটার অনুবাদ দিয়েই। হাঁটছিবহুদিন ধরেহাঁটছি, হাঁটছি, হাঁতছিহেঁটে হেঁটে পাড়ি দিয়েছি বহু দুর্গম পথসাত সমুদ্র, তেরো নদীউঁচু শৃঙ্গ, দীর্ঘ মরু, বন।খুঁজিখুঁজে ফিরিতোমাকেআমাকেঈশ্বরকে।এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে।
    more
  • Kawsar Mollah
    January 1, 1970
    পরথমেই লেখকে ধনযবাদ জানাই নতুন একটি জনরার সাথে (লাভকরযাফটিয়ান হরর) আমার মত এদেশের অনেক পাঠকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জনয।এক বৃষটির রাতে হঠাৎ করেই তছনছ হয়ে যায় অসটরেলিয়ার বরিগুদা গরামটি । শুধু পরে থাকে কিছু ছিনন-বিচছিনন দেহ।এ ভয়াবহ ঘটনার সূতরপাত হয় অদভুদ এক সবপন থেকে। যে সবপনটি পরথমে সবাই অবহেলা করে কিনতু পরবরতীতে যা তাদের কাল হয়ে দাড়ায়।তখন আর কিছু করার থাকে না পড়ে থাকে ছিনন-বিচছিনন কিছু দেহ আর গরামের একমাতর গিরজায় মানুষের রকত দিয়ে আকা এক জোড়া চোখের ছবি । নিচে লেখা--পীংকরী রীটরিকরা করেয়ীৎ সপাকরা লিকর প্রথমেই লেখকে ধন্যবাদ জানাই নতুন একটি জনরার সাথে (লাভক্র‍্যাফটিয়ান হরর) আমার মত এদেশের অনেক পাঠকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।এক বৃষ্টির রাতে হঠাৎ করেই তছনছ হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার ব্রিগুদা গ্রামটি । শুধু পরে থাকে কিছু ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন দেহ।এ ভয়াবহ ঘটনার সূত্রপাত হয় অদ্ভুদ এক স্বপ্ন থেকে। যে স্বপ্নটি প্রথমে সবাই অবহেলা করে কিন্তু পরবর্তীতে যা তাদের কাল হয়ে দাড়ায়।তখন আর কিছু করার থাকে না পড়ে থাকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন কিছু দেহ আর গ্রামের একমাত্র গির্জায় মানুষের রক্ত দিয়ে আকা এক জোড়া চোখের ছবি । নিচে লেখা--পীংক্রী রীট্রিক্রা ক্রেয়ীৎ স্পাক্রা লিক্রিৎ...মোহাম্মদ আসগর আলী দেশের অন্যতম স্বনামধন্য লেখক ঘটনাচক্রে গা ঢাকা মফস্বলের একটি বস্তিতে। পরিচয় হয় বিভিন্ন চরিত্রের কিছু মানুষের সাথে।একদিন বস্তির চাইয়ের দোকানে মোহাম্মদ আসগর আলী এক অদ্ভুদ এক গল্প শোনেন।সে গল্পের হাত ধরে তার রহস্য উন্মেচন করার জন্য মোটর-পার্টস দোকানি ল্যাংড়া সাচ্চুকে নিয়ে নেমে পরেন এক আজানা অভিযানে।ঘটনাচক্রে তাদের সাথে যোগ হয় দুই ভাই-বোন। তারাও নেমেছে অজানা কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে। যার বিস্তৃতি ছড়িয়া আছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, ইথিয়ওপিয়া,বনশ্রী পার্ক সহ আরো অনেক জায়গায়।হ্যাপী রিডিং
    more
  • Ahnaf Ratul
    January 1, 1970
    অনযরকম... খুব ভালো লেগেছে। লেখকের কাদযুসেয়াস, ঈশবরের মুখোশ, ফিনিকস তিনটেই পড়া ছিল। তবে 'তরীৎ' অনযরকম একটা আবহ তৈরি করে দিলো। লাভকরফটিয়ান হররের সাথে পরিচয় আগেই কিছু কিছু আছে। লেখক চেষটাও করেছেন। বাংলাদেশে নভেলার সাহাযযে বোধহয় এই পরথম লাভকরফটিয়ান হররের সাথে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেবার পরয়াস। পরথম চেষটাতেই লেখক সফল। শুধু সফল বললে ভুল হবে, বেশ ভালোভাবেই সফল। নভেলার সাহাযযে চরিতরগুলোকে ভালোভাবে রুপদান করা একটু কঠিন হয়ে যায়। তবে লেখক এমনকি গাড়ি মেকানিকের চরিতরটিকেও যথেষট সময় নিয়ে তৈরি করেছেন। শেষটায় রীত অন্যরকম... খুব ভালো লেগেছে। লেখকের কাদ্যুসেয়াস, ঈশ্বরের মুখোশ, ফিনিক্স তিনটেই পড়া ছিল। তবে 'ত্রীৎ' অন্যরকম একটা আবহ তৈরি করে দিলো। লাভক্রফটিয়ান হররের সাথে পরিচয় আগেই কিছু কিছু আছে। লেখক চেষ্টাও করেছেন। বাংলাদেশে নভেলার সাহায্যে বোধহয় এই প্রথম লাভক্রফটিয়ান হররের সাথে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেবার প্রয়াস। প্রথম চেষ্টাতেই লেখক সফল। শুধু সফল বললে ভুল হবে, বেশ ভালোভাবেই সফল। নভেলার সাহায্যে চরিত্রগুলোকে ভালোভাবে রুপদান করা একটু কঠিন হয়ে যায়। তবে লেখক এমনকি গাড়ি মেকানিকের চরিত্রটিকেও যথেষ্ট সময় নিয়ে তৈরি করেছেন। শেষটায় রীতিমতো চমকে গিয়েছি। অন্যকিছু ভেবেছিলাম। এখানেই লেখকের সার্থকতা। গল্পের মোড়টাই ঘুরিয়ে দিয়েছেন। ছোট ছোট ডিটেইলগুলোর ভিত্তি যথেষ্ট মজবুত ছিল, প্রাক-ইতিহাসপর্বও বেশ উপভোগ্য ছিল। বিরক্তি উৎপাদন করার মোটেও সুযোগ ছিল না; বরং আমি বলব "কী হয়, কী হয়" এটা জানার জন্যই উন্মুখ হয়ে ছিলাম। অভিনন্দন লেখককে। এই ধরনের প্লট আরো চাই। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৮.৫/১০
    more
  • আব্দুল্লাহ আল
    January 1, 1970
    খুব ছোট একটা বই। একেবারে নতুন একটা জনরা বলা যায় আমাদের দেশে। অদভুত, উদভট কিছু পরানী আর তাদের করমকাণড নিয়ে কাহিনী এগিয়ে যায়। ভয় না পেলেও উপভোগ করেছি বইটা। জনরা নিয়ে ধারনা ছিলনা আগে। বই পড়ার পর জনরা বিষয়ে একটু পড়া লেখা করি। তারপর আবার বইটা পড়ি। এরপরে ভালোলাগাটা আরেকটু বাড়ে। লেখককে শুভকামনা। খুব ছোট একটা বই। একেবারে নতুন একটা জনরা বলা যায় আমাদের দেশে। অদ্ভুত, উদ্ভট কিছু প্রানী আর তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে কাহিনী এগিয়ে যায়। ভয় না পেলেও উপভোগ করেছি বইটা। জনরা নিয়ে ধারনা ছিলনা আগে। বই পড়ার পর জনরা বিষয়ে একটু পড়া লেখা করি। তারপর আবার বইটা পড়ি। এরপরে ভালোলাগাটা আরেকটু বাড়ে। লেখককে শুভকামনা।
    more
Write a review